পুলিশ জানায়, আটক আব্দুল জলিল (৪২) উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি ওই ভবনের দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের কক্ষে বিদেশি মদ মজুদ রেখে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করে।
ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, রাত ১০টার দিকে ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের দারোয়ানের কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয় এবং তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মদ সংরক্ষণ ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
ডিবির ওসি মো. মহিনউদ্দিন বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালাই। উদ্ধারকৃত মদের বোতলগুলো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এবং এগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ আবাসিক ভবনের ভেতরেই এমন কর্মকাণ্ড চলছিল।
আটক আব্দুল জলিলকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।








