ঘটনার পর বিথীকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শারীরিক অবস্থার কারণে তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার দ্রুত উদ্যোগ নেন। তিনি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে বিশেষ আবেদন করেন, যাতে বিথীর জন্য একজন শ্রুতিলেখক (রাইটার) নিয়োগ দেওয়া হয়।
আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তারকে শ্রুতিলেখক হিসেবে অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় বিথী শ্রুতিলেখকের সহায়তায় অংশ নেয়।
শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যেও পরীক্ষায় বসতে পারায় বিথী ও তার পরিবার প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, এমন সহায়তা না পেলে বিথীর শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়ত।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ইউএনও আকলিমা আক্তার বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ—দুই দিকই নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। সে যেন কোনোভাবেই শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে না পড়ে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।”
এই ঘটনা এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং শিক্ষার্থীর প্রতি প্রশাসনের মানবিক উদ্যোগ প্রশংসা পাচ্ছে।





