Search
Close this search box.

‘অফিস এয়ার থিওরি’: কেন অফিসে কয়েক ঘণ্টা থাকলেই চেহারা ক্লান্ত দেখায়?

অহনা

সকালে পরিপাটি হয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অফিসে কয়েক ঘণ্টা কাটলেই অনেকের মনে হয় চেহারার সেই সতেজতা আর নেই। ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, চুল তেলতেলে হওয়া কিংবা চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ—এ অভিজ্ঞতা এখন নিত্যদিনের। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পরিবর্তনকে ব্যাখ্যা করতে জনপ্রিয় হয়েছে ‘অফিস এয়ার থিওরি’

এটি কোনো স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব না হলেও, অফিসের কৃত্রিম পরিবেশ কীভাবে আমাদের বাহ্যিক রূপের ওপর প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু বাস্তব কারণ তুলে ধরেছেন।

অফিসে দীর্ঘক্ষণ এয়ার কন্ডিশনার (AC) চলার ফলে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক তার স্বাভাবিক পানি হারায়, ফলে ত্বক টানটান বা রুক্ষ হয়ে পড়ে।মজার বিষয় হলো, এই শুষ্কতা সামাল দিতে আমাদের ত্বক অতিরিক্ত তেল (Sebum) উৎপাদন শুরু করে। এর ফলে একই সঙ্গে ত্বক শুষ্ক এবং তেলতেলে দেখায়।

আধুনিক অফিসগুলোতে জানালা বন্ধ থাকে এবং বাইরের তাজা বাতাস ঢোকার সুযোগ কম থাকে।

ইনডোর এয়ার বা ভেতরের বাতাসে জমে থাকা ধুলাবালি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ত্বককে নিস্তেজ করে দেয়। এর প্রভাবে চোখে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।টানা ৮-৯ ঘণ্টা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পর্দার সামনে বসে থাকা ত্বকের বড় শত্রু।

নীল আলো (Blue Light) চোখের নিচের অংশে কালো ভাব তৈরি করতে পারে এবং মুখকে বিষণ্ণ দেখায়। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকায় রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, যা ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়।

মানসিক চাপ বা স্ট্রেস শরীরের কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি সরাসরি ত্বকের তৈলাক্ততা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে হঠাৎ করে ব্রণ বা নিস্তেজ ভাব দেখা দিতে পারে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ