অফিসে দীর্ঘক্ষণ এয়ার কন্ডিশনার (AC) চলার ফলে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়।
বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক তার স্বাভাবিক পানি হারায়, ফলে ত্বক টানটান বা রুক্ষ হয়ে পড়ে।মজার বিষয় হলো, এই শুষ্কতা সামাল দিতে আমাদের ত্বক অতিরিক্ত তেল (Sebum) উৎপাদন শুরু করে। এর ফলে একই সঙ্গে ত্বক শুষ্ক এবং তেলতেলে দেখায়।
আধুনিক অফিসগুলোতে জানালা বন্ধ থাকে এবং বাইরের তাজা বাতাস ঢোকার সুযোগ কম থাকে।
ইনডোর এয়ার বা ভেতরের বাতাসে জমে থাকা ধুলাবালি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ত্বককে নিস্তেজ করে দেয়। এর প্রভাবে চোখে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তিও দেখা দিতে পারে।টানা ৮-৯ ঘণ্টা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পর্দার সামনে বসে থাকা ত্বকের বড় শত্রু।
নীল আলো (Blue Light) চোখের নিচের অংশে কালো ভাব তৈরি করতে পারে এবং মুখকে বিষণ্ণ দেখায়। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকায় রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, যা ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়।
মানসিক চাপ বা স্ট্রেস শরীরের কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি সরাসরি ত্বকের তৈলাক্ততা বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে হঠাৎ করে ব্রণ বা নিস্তেজ ভাব দেখা দিতে পারে।








