জ্যাকুলিনের মতে, দিনের শুরুটা নির্ধারণ করে দেয় পুরো দিনের মেজাজ। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নিজেকে হাসিখুশি ও ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করেন তিনি। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে তার প্রতিফলন ত্বকেও পড়ে—এই বিশ্বাস থেকেই তিনি দিনের শুরুতে নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকেন।
সারাদিন কাজের শক্তি বজায় রাখতে জ্যাকুলিনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হলো ইলেক্ট্রোলাইট পানীয়। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি খনিজ উপাদানের ভারসাম্য বজায় রাখে। প্রচুর পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট পান করার কারণেই দীর্ঘক্ষণ শুটিংয়ের ধকল সইয়েও তাঁর ত্বক সজীব দেখায়।
ধ্যান কেবল মানসিক শান্তির জন্য নয়, বরং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সহায়ক—এমনটাই দাবি জ্যাকুলিনের। শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে তিনি প্রতিদিন নিয়ম করে ধ্যান করেন। এটি স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত ঘুম ছাড়া কোনো স্বাস্থ্যকর রুটিন সম্পূর্ণ হতে পারে না। জ্যাকুলিন তাঁর ঘুমের সময়ের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং গভীর ঘুম নিশ্চিত করা তাঁর সৌন্দর্যের অন্যতম গোপন চাবিকাঠি। ভালো ঘুম চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে এবং পেশির ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
জ্যাকুলিনের ত্বকচর্চার সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো ক্রায়োথেরাপি। এটি একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে শরীরকে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় (হিমাঙ্কের নিচে) রাখা হয়।
গ্রিক শব্দ ‘ক্রায়ো’ (অর্থ: বরফের মতো ঠান্ডা) থেকে এর নামকরণ। কখনো সারা শরীরের জন্য বিশেষ চেম্বারে ঢুকতে হয়, আবার কখনো নির্দিষ্ট অংশের টিস্যুর চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হয়।
এটি রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, ত্বক টানটান করে এবং টিস্যুর পুনর্গঠনে সাহায্য করে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন যে, এটি অতিরিক্ত করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।








