তীব্র গরমে রাজধানীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন। বাইরে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষদের জন্য দীর্ঘ সময় রোদে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
নগরবাসীর অনেকে জানিয়েছেন, প্রচণ্ড গরমে শিশুদের নিয়ে বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন, তীব্র গরমে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা এবং শারীরিক দুর্বলতার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তারা পর্যাপ্ত পানি পান, ছায়ায় অবস্থান এবং হালকা পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক বলেন, ডিহাইড্রেশন থেকে ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে, যা কিডনির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে জ্ঞান হারানোর ঝুঁকিও থাকে বলে তিনি সতর্ক করেন।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কমাতে পারে। তবে মে মাসের শেষ দিকে আবারও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি আগামী মৌসুমে তীব্র হিটওয়েভের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।







