স্ট্রোকের লক্ষণগুলো সহজে মনে রাখার জন্য বিশেষজ্ঞরা ‘BE FAST’ ফর্মুলা ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবে:
-
B (Balance): হঠাৎ শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা হাঁটতে সমস্যা হওয়া।
-
E (Eyes): হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা বা এক চোখে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা।
-
F (Face): হাসতে গেলে বা কথা বলতে গেলে মুখের একপাশ ঝুলে যাওয়া।
-
A (Arms): দুই হাত উপরে তুলতে গেলে এক হাত পড়ে যাওয়া বা হাতে অবশ ভাব।
-
S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া, অস্পষ্ট কথা বলা বা অন্যের কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া।
-
T (Time): লক্ষণ দেখামাত্র সময় নষ্ট না করে দ্রুত জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা।
প্রধান লক্ষণগুলোর বাইরেও কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে:
-
তীব্র মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা।
-
বমি বমি ভাব বা খাবার গিলতে সমস্যা হওয়া।
-
হঠাৎ করে মানসিক বিভ্রান্তি বা স্মৃতিভ্রম।
কারা বেশি ঝুঁকিতে? সাধারণত ৫০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের ঝুঁকি বেশি থাকলেও আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে তরুণরাও নিরাপদ নন। অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদপিণ্ডে জন্মগত ত্রুটি স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ব্রিটিশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্থার মতে, মিনি-স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কয়েক মিনিটের মধ্যে মিলিয়ে যায় বলে অনেকেই একে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু এই ক্ষণস্থায়ী সমস্যাটিই আসলে শরীরকে জানান দিচ্ছে যে বড় কোনো বিপদ আসছে। তাই লক্ষণ সেরে গেলেও দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (যেমন: MRI বা CT Scan) করানো জরুরি।








