অনেকেই মনে করেন আকাশ মেঘলা থাকলে বা রোদ কড়া না হলে সানস্ক্রিন ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। এটি একটি বড় ভুল ধারণা। মেঘের আড়াল থেকেও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের স্তরে পৌঁছে ক্ষতি করতে পারে। তাই দিনের বেলা বাইরে বের হলে আবহাওয়া যাই হোক না কেন, অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
গরম ও ঘাম থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বারবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে থাকেন। এতে ত্বকের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায় এবং ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে। এই শুষ্কতা রোধে ত্বক তখন উল্টো বেশি তেল তৈরি করে, যা ব্রণের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। দিনে দুইবার হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধোয়াই যথেষ্ট।
শীতের সময় ব্যবহৃত ভারী ময়েশ্চারাইজার বা লোশন গরমে ব্যবহার করলে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ত্বক বেশি ঘামে এবং অস্বস্তি হয়। এই সময়ে হালকা, ওয়াটার-বেজড বা জেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
আমরা সাধারণত শুধু মুখের ত্বকের যত্ন নিই, কিন্তু ঘাড়, কান বা হাতের কথা ভুলে যাই। এই অংশগুলোও সরাসরি রোদের সংস্পর্শে এসে দ্রুত বুড়িয়ে যেতে পারে এবং কালচে ছোপ পড়তে পারে। তাই মুখমণ্ডলের পাশাপাশি শরীরের খোলা অংশগুলোতেও সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
ত্বকের প্রকৃত উজ্জ্বলতা আসে ভেতর থেকে। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে ত্বক নিস্তেজ ও কুঁচকে যায়। তাই সারাদিন প্রচুর পানি, ডাবের পানি এবং পানীয়জাতীয় ফল (যেমন তরমুজ বা শসা) খাওয়া জরুরি।








