Search
Close this search box.

ডিসেম্বরের মধ্যে বেসরকারি খাতে যাচ্ছে আরও ৬ পাটকল: মন্ত্রী

অহনা

দেশের বন্ধ পাটকলগুলোকে পুনরায় উৎপাদনমুখী করতে বড় ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ছয়টি পাটকল বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে শিল্প খাতে বড় অংকের নতুন বিনিয়োগ ও ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৬) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বন্ধ মিল ইজারা সংক্রান্ত অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পাটকলগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক তথ্য তুলে ধরেন:

 হস্তান্তরের অপেক্ষায় থাকা এই ছয়টি মিলের প্রতিটিতে প্রায় ২০০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত নতুন বিনিয়োগ আসবে।

প্রতিটি মিলে এক হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।কিছু মিল প্রচলিত পাটের পাশাপাশি ভিন্ন শিল্প খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে চালু হবে, যা আমদানি বিকল্প শিল্প গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

২০২০ সালে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীনে থাকা ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তী পদক্ষেপগুলো হলো:

২৫টির মধ্যে ২০টি মিল লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪টি মিল লিজ দেওয়া হয়েছে।

লিজ দেওয়া মিলগুলোর মধ্যে ৯টি ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে ফিরেছে। এই মিলগুলোতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার ৫০০ জনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো সব বন্ধ মিলকে পুনরায় সচল করা। এতে একদিকে যেমন হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে, অন্যদিকে দেশের রপ্তানি আয় বাড়বে এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

সভায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ