ঘটনাস্থলে তদারকির দায়িত্বে থাকা ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান ওই কার্ড যাচাই করেন বলে জানা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কার্ডে থাকা ছবির সঙ্গে যুবকের চেহারার মিল না থাকায় কোনো প্রশ্ন ছাড়াই তাকে চড় মারা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ঘটনাস্থলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে ওই ফুয়েল কার্ড ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী গ্যারেজ কর্মচারী বলেন, তিনি কোনো অনিয়ম করেননি এবং মালিকের নির্দেশে তেল নিতে গিয়েছিলেন। তার দাবি, “আমি বিনা কারণে লাঞ্ছিত হয়েছি, এর বিচার চাই।”
তবে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে চড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, তিনি শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ড যাচাই করেছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তবে গায়ে হাত তোলার ঘটনা ঘটেনি।
এর আগেও জানুয়ারিতে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ার পর ইউএনও শামীমা আক্তার জাহানকে নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনায় তাকে ঘিরে প্রশাসনিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
নতুন এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।





