নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ মার্চ হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ তোলেন। পরে বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করা হয়।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনজীবী আব্দুল মজিদ বলেন, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। তিনি বলেন, প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তুলতে হলে তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকা জরুরি।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।








