সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সকল একাডেমিক কার্যক্রম সশরীরে পরিবর্তে অনলাইনে পরিচালিত হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বৈশ্বিক এই সংকটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও শিক্ষকদের নিশ্চিত করতে হবে।”
সভার ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন জানান, সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ রাখা গেলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় সম্ভব হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের ওপর চাপ কমাবে।
সভায় উপস্থিত অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকবৃন্দ এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানান। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে উপাচার্য সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। একদিন অনলাইন ক্লাসের ফলে ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও যাতায়াত খরচ—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








