শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল হক বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা এক নক্কারজনক দৃষ্টান্ত। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মতোই আমরা দেয়াল লিখনের মাধ্যমে এই ‘গুপ্ত’ রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলছি। বাংলাদেশে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক বা গোপন রাজনীতি চলবে না।”
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন:
শিবিরকে তাদের গোপন কর্মকাণ্ড বন্ধ করে সুস্থ ও স্বচ্ছ ধারার রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ইসলামী ছাত্রশিবির একটি গুপ্ত সংগঠন যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে হত্যা ও নির্যাতনের মতো অপরাধে জড়িত ছিল।
ইসলামবিরোধী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, সকল ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনকে তাদের নিজস্ব আদর্শ ও চিন্তাধারা প্রকাশ্যে উপস্থাপন করতে হবে। ক্যাম্পাসে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো ধরনের ‘গুপ্ত’ বা গোপন অপসংস্কৃতি সহ্য করা হবে না। চট্টগ্রামে ছাত্রদলের ওপর হামলার পর থেকেই দেশজুড়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এই অস্থিরতা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়েছে।








