সাদিক কায়েম দাবি করেন, হকিস্টিক, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষকও রয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে একজনের পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। এ ধরনের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান সাদিক কায়েম। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সংগঠনটির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা।







