পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিন বছর আট দিন বয়সী শিশু সাদমানের মরদেহ কোলে থাকা যুবকের নাম রাফি। তিনি শিশুটির বাবা নন, বরং সম্পর্কে তার দুলাভাই।
শিশুটির মা মিম আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, ছবিতে থাকা ব্যক্তি তার স্বামী সজিব নন। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে সজিব গভীরভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন।
স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যুর খবর পেয়ে রাফি দ্রুত সেখানে পৌঁছান এবং মরদেহ নিয়ে বের হওয়ার সময় ছবিটি তোলা হয়। সিএনজি খোঁজার স্বল্প সময়ের মধ্যেই কেউ একজন ছবিটি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা পরে ভুল তথ্যসহ ভাইরাল হয়ে যায়।
জানা গেছে, কামরাঙ্গীরচর থেকে অসুস্থ শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ডিএনসিসি হাসপাতালে আনা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনাটি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ও তার প্রভাব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।







