“আমার মনে হয় সবার সবকিছু করার প্রয়োজন নেই। হয়তোবা আমি এখনো বড় পর্দার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত নই। যেহেতু আমি থিয়েট্রিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসিনি, তাই শেখার অনেক কিছু আছে। আমার কমতিগুলো শুধরে নিজেকে আরও যোগ্য করে তোলাই এখনকার লক্ষ্য।”
প্রতিটি কাজে ভুল থেকে শিখছেন এবং নিজেকে আরও পরিণত করার প্রক্রিয়ায় আছেন বলে জানান তিনি।
নিজের অভিনীত ‘শেকড়’ সিনেমাটি নিয়ে বিদেশের মাটিতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন আইশা। সেখানে তাঁর অভিনীত ‘ফাল্গুনী’ চরিত্রটি দর্শক মহলে সমাদৃত হয়েছে। তবে এই সাফল্যের রেশ ধরে এখনই নতুন কোনো বড় কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে চান না তিনি। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘শেকড়’-এর পর আপাতত নতুন কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে তাঁর নেই।
বাংলা চলচ্চিত্রের বর্তমান জোয়ার নিয়ে আইশা খান বেশ ইতিবাচক। বিশেষ করে ২০২২ সালে ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে যে মোড় পরিবর্তন শুরু হয়েছিল, তার প্রশংসা করেন তিনি।
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর সাফল্য তিনি উপভোগ করছেন। সামনে আসছে ‘রইদ’ সিনেমাটি। আইশা আশা প্রকাশ করেন যে, ‘হাওয়া’ যেভাবে চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, ‘রইদ’ সিনেমাটিও ইন্ডাস্ট্রির জন্য নতুন ও দারুণ কিছু নিয়ে আসবে।







