Search
Close this search box.

পদোন্নতি ও শিক্ষক সংকটের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

অহনা

পদোন্নতি এবং তীব্র শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষকদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো ক্যাম্পাস। বুধবার (২২ এপ্রিল, ২০২৬) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা এবং সকল ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা শিক্ষকদের অসন্তোষ এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যা থেকে আমরণ অনশনে বসেন মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আন্দোলনের তীব্রতা আরও বাড়ে। মঙ্গলবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালনের পর আজ থেকে শাটডাউন ঘোষণা করেন শিক্ষকরা।

ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। একাডেমিক ভবনগুলো তালাবদ্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভয়াবহ শিক্ষক সংকটের চিত্র তুলে ধরেন:

বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে ৪০০-এর বেশি শিক্ষক প্রয়োজন, সেখানে কর্মরত আছেন মাত্র ২১০ জন।অনেক বিভাগে মাত্র ২-৩ জন শিক্ষক দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, ফলে একজন শিক্ষককে গড়ে ১৪-১৫টি কোর্সের চাপ সামলাতে হচ্ছে।

২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী ঝুলে থাকা পদোন্নতি প্রদান এবং দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সংকট দূর করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, মূলত নীতিমালার পরিবর্তনের কারণেই এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

২০২১ সালে সরকার পদোন্নতির নতুন ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করেছে, যা অনুসরণের জন্য ইউজিসি থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকরা চাইছেন সিন্ডিকেটে পাস হওয়া আগের (২০১৫ সালের) নীতিমালার ভিত্তিতেই তাঁদের পদোন্নতি হোক। উপাচার্য আশ্বস্ত করেছেন যে, শিক্ষকদের সাথে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ