শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনাটি গত বছরের শেষে ঘটেছিল, যা দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে:
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতকারীরা তাঁকে গুলি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে আদালতে আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিল। কিন্তু সেই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি আদালতে ‘নারাজি’ আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
ডিবির দাখিল করা প্রাথমিক চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী:
-
কারাগারে: অভিযুক্তদের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।
-
পলাতক: বাকি ৬ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। সিআইডির অধিকতর তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলব এবং বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।







