বর্তমানে ৩ হাজার ৭০০ মিটার গভীর থেকে গ্যাস তোলা হলেও এই নতুন কূপটি খনন করা হবে ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীর পর্যন্ত।
খনন সফল হলে এই একটি কূপ থেকেই প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিতাস ও বাখরাবাদ ফিল্ডে দুটি গভীর অনুসন্ধান কূপ খননে মোট ৫৯৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এই কূপটি খনন করতে প্রায় ৭ মাস সময় লাগবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, থ্রিডি সাইসমিক জরিপের তথ্যানুযায়ী এই গভীরতায় বিপুল পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে।
কূপটিতে এক থেকে দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (TCF) গ্যাস মজুত থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, এই অনুসন্ধান সফল হলে এখানে আরও ৭টি গভীর কূপ খনন করা হবে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি (CCDC) এই খনন কাজ পরিচালনা করছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান জানান, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি বছরের মধ্যে মোট ৫০টি কূপ খননের বিশাল পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে দেশীয় জ্বালানির উৎস অনুসন্ধান এখন সময়ের দাবি।
বিজিএফসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, গভীর অনুসন্ধান কূপগুলো সফল হলে তা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে এবং বর্তমান সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।






