দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট প্রাথমিক মজুত ছিল ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইতিমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে।
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে সরবরাহ বজায় থাকলে এবং নতুন কোনো ক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে, এই মজুত দিয়ে আগামী ১২ বছর চাহিদা মেটানো যাবে।
গ্যাসের মজুত বাড়াতে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের মাধ্যমে সরকার বিশাল কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী:
পেট্রোবাংলার মহাপরিকল্পনার আওতায় মোট ৫০ ও ১০০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যার মধ্যে ইতিমধ্যে ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। বাকি কূপগুলোর কাজ বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।
নতুন গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে বের করতে অত্যাধুনিক জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে:
বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এলাকায় ৩৬০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে তা প্রক্রিয়াকরণ চলছে।
বিজিএফসিএল (BGFCL)-এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা এলাকায় ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার জায়গায় ৩ডি সাইসমিক জরিপ শুরুর প্রস্তুতি চলছে।বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে দেশের অন্যান্য এলাকায় আরও বিপুল পরিমাণ ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।






