সোমবার সকাল ৬টায় ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে বাসে করে যাত্রা শুরু করবেন তিনি। বেলা সাড়ে ১১টায় বহু প্রতীক্ষিত বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরের ফলক উন্মোচন করবেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবন এবং জজ আদালতের ই-বেইলবন্ড উদ্বোধন করবেন।গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে হামের টিকা ক্যাম্পেইন এবং শহীদ জিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন।নশিপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।
বিকাল ৪টায় বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া:
বিকাল পৌনে ৬টায় প্রেস ক্লাবের ‘নতুন ভবন’ উদ্বোধন করবেন। বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।সফর শেষে সন্ধ্যার দিকে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) যাত্রা বিরতি দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
তারেক রহমানের আগমন ঘিরে বগুড়ায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সংস্কার ও পরিষ্কার করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্ছিদ্র বলয় তৈরি করেছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোরশেদ মিল্টন বলেন, “ঘরের ছেলে আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ফিরছেন। এটি শুধু রাজনৈতিক ঘটনা নয়, আমাদের আবেগের বিষয়।”গত ১৫ এপ্রিল স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সার্কিট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে এই সফরের যাবতীয় প্রস্তুতি তদারকি করেছেন।








