তিনি বলেন, “আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো—এক পরিবারে দুজন সংসদ সদস্য নয়। আমরা অতীতেও এটি অনুমোদন করিনি, ভবিষ্যতেও একই অবস্থানে থাকব।”
সংরক্ষিত নারী আসনে দলের আমিরের পরিবারের কেউ প্রার্থী না হওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে যোগ্য নারীর কোনো সংকট নেই। তার ভাষায়, “দলে বহু যোগ্য, অভিজ্ঞ ও হেভিওয়েট নারী নেতৃত্ব রয়েছে। শুধু একজন নয়, ডজন ডজন যোগ্য প্রার্থী আছেন।”
মনোনয়ন জমা শেষে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত ও অনুপ্রেরণায় তিনি প্রার্থী হয়েছেন এবং সংসদে গিয়ে নারীদের অধিকার ও বঞ্চিতদের জন্য কাজ করতে চান।
এ সময় ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এক শিক্ষার্থীর মা রোকেয়া বেগমকেও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তিনি বলেন, সংসদে গিয়ে শহীদদের হত্যার বিচার ও তাদের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখতে চান।
জোটের এই মনোনয়ন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।








