একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী তেল মজুত করে বাজারে সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে।জনমনে ভীতি এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া বা গ্রাহকের গায়ে রং লাগিয়ে চিহ্নিত করার বিষয়ে সরকারের কোনো নির্দেশনা নেই বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কালোবাজারি রুখতে সরকার দেশব্যাপী অভিযান জোরদার করেছে
সারাদেশে ৯ হাজার ১১৬টি অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।অভিযানে মোট ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় এবং ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে।জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং বিপিসি (BPC) কর্তৃক ট্যাগ অফিসার নিয়োগের পাশাপাশি পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
জ্বালানি তেল বিপণনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে:
ঢাকা মহানগরীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু করা হয়েছে।
এই কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকের তেল সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। সফল পরীক্ষা শেষে এই ব্যবস্থা সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।





