তিনি জানান, ঝুঁকি নিয়েই এই কর্মসূচি পালন করেছেন। তাঁর দাবি, ছাত্রলীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর ‘মব সন্ত্রাসবাদ’ বন্ধ করতে হবে। কর্মসূচির সময় আশেপাশে আরও নেতাকর্মী ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
নিষিদ্ধ সংগঠনের এই প্রকাশ্য তৎপরতায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান:
চাকসুর অবস্থান সবসময় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। তারা আগে গোপনে কাজ করলেও এখন পরিচয় প্রকাশ করছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাপ দেওয়া হবে।
চবি প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী জানিয়েছেন, শহীদ মিনার এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ যাচাই করে জড়িতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য যে, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ও পরবর্তীতে সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও চবি ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পোস্টারিং এবং জাতীয় দিবসে ফুল দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২৬ মার্চও ১ নং গেট এলাকায় ওয়াহিদুল আলমের নেতৃত্বে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।








