হলুদে থাকা কারকিউমিন শরীরের ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ হলুদ এবং এক চিমটি গোলমরিচ মিশিয়ে পান করুন।
এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ রোধ করে।যাঁরা ডায়াবেটিস বা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য মেথি ভেজানো পানি মহৌষধ।
এক চা চামচ মেথি সারারাত এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানি ছেঁকে পান করুন।
এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে এবং শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। ভালো ফলের জন্য ভেজানো মেথি চিবিয়েও খেতে পারেন।
হজমশক্তি বৃদ্ধি এবং দ্রুত ওজন কমাতে জিরা ও জবের পানির জুড়ি নেই।
জিরা ভেজানো পানি ফুটিয়ে পান করলে হজমশক্তি বাড়ে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যায় আরাম মেলে।এক টুকরো জবের ডাঁটা ১৫ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে পান করলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মেদ কমে।
ওজন কমাতে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) বের করে দিতে এই পানীয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়।
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে একটি লেবুর রস ও সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন।এটি ত্বক উজ্জ্বল করে, ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং আপনাকে সারাদিন সতেজ রাখে।







