Search
Close this search box.

তীব্র গরমে সুস্থ থাকার উপায়: সচেতনতাই আপনার প্রধান সুরক্ষা

অহনা

চৈত্র-বৈশাখের দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন শরীর ও মনকে সতেজ রাখা এক বড় চ্যালেঞ্জ। অতিরিক্ত তাপমাত্রা কেবল অস্বস্তিই বাড়ায় না, বরং হিট স্ট্রোক বা পানিশূন্যতার মতো গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

প্রচণ্ড এই গরমে নিজেকে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখতে দৈনন্দিন অভ্যাসে নিচের পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি:

লোডশেডিং এবং তীব্র রোদের মাঝেও কিছু উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব:

 দিনের বেলা যখন কড়া রোদ থাকে, তখন জানালা বন্ধ রেখে পর্দা টেনে দিন। সন্ধ্যার পর বাইরের বাতাস ঠান্ডা হলে জানালা খুলে দিন যাতে গুমোট ভাব দূর হয়। অপ্রয়োজনীয় লাইট, কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখুন, কারণ এগুলো ঘরকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং শারীরিক আরাম—উভয় ক্ষেত্রেই সঠিক ব্যবহার জরুরি:

 তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকলে ফ্যান কার্যকর। তবে এর বেশি হলে ফ্যান সরাসরি গরম বাতাস শরীরের দিকে ঠেলে দেয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

এসি ব্যবহার করলে তা ২৭ ডিগ্রিতে সেট করুন। এর সাথে ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।

শরীর ঠান্ডা রাখতে পোশাক এবং পরিচ্ছন্নতায় নজর দিন:

হালকা রঙের, ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরুন। এটি ঘাম শুষে নেয় এবং শরীরে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে।দিনে অন্তত দুইবার ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন। বাইরে থাকলে মাঝে মাঝে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছুন বা মুখে পানি স্প্রে করুন।

গরমে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে, তাই সঠিক খাবার নির্বাচন অপরিহার্য:

তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান করুন। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলে বুঝবেন আপনার শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে।

ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস (যেমন চিপস) এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় বা ক্যাফেইন শরীরকে আরও পানিশূন্য করে দেয়।ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি ও ফল খান যা হজমে সহায়তা করে এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ