এটি যাচাই করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আপনি যখন হঠাৎ করে খরচ করা কমিয়ে দেবেন বা আর্থিক সীমা নির্ধারণ করবেন, তখন তাঁর মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করুন:
যদি দেখেন খরচ বন্ধ করার সাথে সাথে সঙ্গী আগের মতো সহজলভ্য থাকছেন না, আবেগগতভাবে দূরে সরে যাচ্ছেন বা অকারণে ঝগড়া করছেন, তবে এটি একটি বড় সতর্কতা সংকেত।প্রকৃত ভালোবাসায় আর্থিক অনটনে সঙ্গী আপনার যত্ন নেওয়া বন্ধ করবেন না। কিন্তু স্বার্থপর সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থ ফুরিয়ে গেলে আগ্রহও দ্রুত হারিয়ে যায়।
পরিচয়ের শুরুতে পেশা নিয়ে কথা বলা স্বাভাবিক, কিন্তু কিছু মানুষ খুব দ্রুত সীমা অতিক্রম করে ফেলে:
আপনার ব্যক্তিত্ব বা মূল্যবোধের চেয়ে যদি সঙ্গীর কৌতূহল আপনার আয়, ব্যাংক ব্যালেন্স, সম্পত্তি বা সঞ্চয়ের ওপর বেশি থাকে, তবে বুঝবেন তিনি আপনার মানিব্যাগের প্রতি বেশি আগ্রহী।আপনি নিশ্চয়ই অনেক আয় করেন?’ বা ‘বাড়িটি কি আপনার নিজের?’—এ জাতীয় প্রশ্নের বারবার পুনরাবৃত্তি সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়।
সুস্থ সম্পর্কে সবসময় সবকিছু ‘৫০/৫০’ হতে হবে এমন নয়, তবে একটি ভারসাম্য থাকে। কিন্তু স্বার্থপর সম্পর্কের ধরণ ভিন্ন হয়:
ডিনার, যাতায়াত বা কেনাকাটার বিল সবসময় আপনাকেই দিতে হয়। সঙ্গী ‘পরের বার দেবো’ বললেও সেই পরের বার আর আসে না। আপনি যদি কখনো খরচের বিষয়টি তোলেন, তবে সঙ্গী আপনাকে অপরাধবোধে ভোগাতে পারেন। “তুমি আমাকে ভালোবাসলে টাকার হিসাব রাখতে না”—এমন কথা বলে বিষয়টিকে ঘোলাটে করে ফেলা হয়।
মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করুন, সঙ্গী কখন আপনার প্রতি সবচেয়ে বেশি স্নেহপ্রবণ হয়ে ওঠেন:
দামী উপহার দেওয়া বা কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার পরপরই কি তিনি অতিরিক্ত মিষ্টি ব্যবহার করছেন? আর যখন আর্থিক লেনদেন থাকছে না, তখন কি তাঁকে কিছুটা উদাসীন মনে হচ্ছে?যদি তাঁর ভালোবাসা আপনার খরচের অংকের ওপর নির্ভর করে, তবে সেটি ভালোবাসা নয়, বরং একটি ব্যবসায়িক চুক্তি।
একজন প্রকৃত সঙ্গী আপনার সাথে মিলেমিশে জীবন গড়তে চান। কিন্তু স্বার্থান্বেষী সঙ্গীর পরিকল্পনা থাকে অন্যরকম:
তিনি এমন সব ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করবেন যেখানে আপনার টাকা বা সম্পদের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।মানসিকভাবে পুরোপুরি জড়িত না হয়েও তিনি আপনার দেওয়া সুযোগ-সুবিধাগুলো ভোগ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।







