মিম মনে করেন, শোবিজে জয়ী হওয়া যতটা কঠিন, নিজের অবস্থান ধরে রাখা তার চেয়েও বেশি কষ্টসাধ্য। তিনি বলেন:
“কখনো আমি হাল ছাড়ি নাই। এটা এমন একটা প্ল্যাটফর্ম যেখানে উইনার হতে অনেক কষ্ট করতে হয়, কিন্তু তার থেকেও বেশি কষ্ট আসলে জায়গাটা ধরে রাখা।”
দীর্ঘ পথচলার রহস্য হিসেবে তিনি ধৈর্য এবং নিয়মানুবর্তিতাকেই (ডিসিপ্লিন) প্রধান শক্তি বলে মনে করেন।
প্রতিটি সফল মানুষের মতোই মিমের জীবনেও অনেকবার কাজের গতি থমকে গেছে বা ব্যর্থতা এসেছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দমে না যাওয়ার মানসিকতাই তাঁকে আলাদা করেছে।
মিম জানান, কোনো কাজ না হলে তিনি ভেঙে পড়েন না। বরং ইতিবাচক থেকে নিজেকে উৎসাহ দেন। তাঁর ভাষ্যমতে, “ওকে ফাইন, এটা হচ্ছে না, আরেকটা হবে—আমি সবসময় নিজেকে অনেক উৎসাহ দিতে থাকি।”
২০০৭ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার হওয়ার পর থেকে মিম ছোট পর্দা ও বড় পর্দা—উভয় মাধ্যমেই সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’-এর মতো সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন তিনি।







