Search
Close this search box.

জামায়াত এমপি অবরুদ্ধের ঘটনায় ৯ জন আ`টক

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় একজনসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সোয়া ২টার দিকে এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। পরে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনসহ ৯ জনকে আটক করে।

মামলার এজাহারে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে এমপির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মোট ৬০ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ৫০–৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, গতকাল বিকেলে একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে উপজেলা সদরে ফেরার পথে এমপি মাছুম মোস্তফা শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের একটি ফিলিং স্টেশনে যান। সেখানে গাড়িতে জ্বালানি নেওয়ার পর নামাজ আদায়ের জন্য নামাজখানায় প্রবেশ করেন।

এই সময় প্রায় ১৫টি মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন সেখানে এসে হট্টগোল শুরু করে এবং একপর্যায়ে এমপির গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তিনি নামাজ শেষে বের হলে তাকে অবরুদ্ধ করারও অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় বলে জানা গেছে।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে এবং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় এমপিকে উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টার দিকে তিনি উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং হামলার জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়ী করেন।

এমপি মাছুম মোস্তফা অভিযোগ করেন, “আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আমার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং আমাকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে।”

অন্যদিকে বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন এবং তার দলের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি মামলাকে “মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করেন।

নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রয়েছেন এবং বাকিরা সন্দেহভাজন। তদন্ত ও অভিযান চলমান রয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ