প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয় মুরুব্বিদের উদ্যোগে বাড়িতেই সালিশি বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে দুই পক্ষই উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের এক পর্যায়ে কথাকাটাকাটি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে ওয়াহিদ খন্দকার ও তার লোকজন বড় ভাই নজরুল খন্দকার এবং তার ছেলে অভি খন্দকারকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর তাদের ওপর কিল, ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে বাবা-ছেলে দুজনই গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে নজরুল খন্দকারের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অভি খন্দকারও গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, সালিশি বৈঠকেই এমন রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটায় তারা হতবাক।







