Search
Close this search box.

মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৬: আজীবন সম্মাননায় ভূষিত নগরবাউল জেমস

অহনা

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (সাবেক চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্র) শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) সন্ধ্যায় বসেছিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৭তম আসর। ঝলমলে এই আয়োজনে বাংলা সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি, নগরবাউল ব্যান্ডের সংগীতশিল্পী জেমসকে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী এই শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

মঞ্চের বাইরে জেমস বরাবরই মিতভাষী হিসেবে পরিচিত হলেও এদিন গ্রিনরুমের আড্ডায় তাঁকে পাওয়া গেল একেবারে ভিন্ন মেজাজে:

গ্রিনরুমে ঢুকেই এসি-র তীব্র ঠান্ডা দেখে রসিকতা করে তিনি বলেন, “এ তো সাইবেরিয়ায় চলে এলাম!”আড্ডায় দেশীয় রাজনীতির পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতি, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং তেলসংকট নিয়েও কথা বলেন তিনি।

 আড্ডার মাঝেই গিটারিস্ট এলিনকে বারবার মঞ্চের সাউন্ড ও প্রস্তুতির খবর নিতে দেখা যায় তাঁকে। ব্ল্যাক কফি আর স্যান্ডউইচ খেয়েই মঞ্চে ওঠার প্রস্তুতি সেরে নেন নগরবাউল।

মঞ্চে জেমসের ওঠার আগে তাঁরই জনপ্রিয় তিনটি গানে পারফর্ম করেন শুভ, কিশোর ও ইমরান। এরপর জেমস যখন গিটার হাতে মঞ্চে ওঠেন, তখন পুরো হল রুম শিস ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে।

দর্শকদের শুভসন্ধ্যা জানিয়েই দরাজ কণ্ঠে তিনি শুরু করেন তাঁর কালজয়ী গান— “সুন্দরীতমা আমার/ তুমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে/ বলতে পারো/ এই আকাশ আমার।”

সম্মাননা স্মারক গ্রহণের পর জেমস সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “অর্ধেক হয়েছে, আরও অর্ধেক বাকি আছে।” মঞ্চ থেকে নামার সময় স্মারকের ভারী ওজন নিয়ে অঞ্জন চৌধুরীর সাথে খুনসুটি করতেও ভোলেননি তিনি।

সাধারণত কনসার্ট ছাড়া অন্য কোনো পাবলিক অনুষ্ঠানে জেমসকে দেখা যায় না। এদিন সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি তাঁর স্বভাবসুলভ মিতভাষী ঢঙে উত্তর দেন— “যাই না আরকি।” মূলত গানের জগতের বাইরে প্রচারের আলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই কিংবদন্তি।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ