Search
Close this search box.

বক্স অফিসের নয়া রাজা জাফর জ্যাকসন: আয়ের রেকর্ড ভাঙল মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

অহনা

বক্স অফিসের সব পুরোনো হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে এখন রাজত্ব করছে ‘কিং অব পপ’ মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই বিশ্বজুড়ে হৈচৈ ফেলে দেওয়া এই সিনেমাটি আয়ের দিক থেকে গড়েছে নতুন ইতিহাস। যুক্তরাষ্ট্রে ৯৭ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ২১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে বায়োপিক বা জীবনীমূলক সিনেমার ক্ষেত্রে সর্বকালের সেরা ওপেনিংয়ের রেকর্ড এখন ‘মাইকেল’-এর দখলে।

চলতি ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে আয়ের তালিকায় বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এই চলচ্চিত্রটি।

বায়োপিকের দুনিয়ায় এর আগের বড় রেকর্ডগুলো ‘মাইকেল’ অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে:

 ২০১৫ সালের ‘স্ট্রেট আউটা কম্পটন’ (৬০ মিলিয়ন ডলার) এবং ২০১৮ সালের ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’ (৫১ মিলিয়ন ডলার) যে সূচনা করেছিল, জাফর জ্যাকসনের এই সিনেমা তার চেয়ে বহুগুণ বেশি আয় করেছে।

টিকিট ক্রেতাদের বড় অংশই ছিলেন নারী এবং ২৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষ। সিনেমাস্কোরের জরিপে দর্শকরা একে ‘এ মাইনাস’ গ্রেড দিয়েছেন।

অ্যান্টোইন ফুকা পরিচালিত এই সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের শৈশব থেকে বিশ্বসেরা তারকা হয়ে ওঠার মহাকাব্য তুলে ধরা হয়েছে:

 মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই আপন ভাগ্নে জাফর জ্যাকসন, যাঁর পারফরম্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

 লায়ন্সগেট, ইউনিভার্সাল ও মাইকেল জ্যাকসন এস্টেটের যৌথ প্রযোজনায় প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই মেগা প্রজেক্ট।

সিনেমাটি আয়ের দিক থেকে সফল হলেও সমালোচকদের মন জয় করতে পারেনি:

রটেন টমেটোজে সমালোচকদের মাত্র ৩৮% ইতিবাচক রিভিউ মিলেছে।সমালোচকদের মতে, জ্যাকসনের জীবনের পরবর্তী সময়ের শিশু নির্যাতনের অভিযোগগুলো এখানে কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। আইনি জটিলতার কারণে চিত্রনাট্যে পরিবর্তন এনে ১৯৮৮ সালের ‘ব্যাড’ ট্যুর পর্যন্ত কাহিনী সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ