নাছির উদ্দীন উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শমসের পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দেন। স্থানীয়ভাবে তিনি বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক নুরুল আলম আশেক জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় মাটি ও পাহাড় কাটা, চাঁদাবাজি এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাছির উদ্দীনের সঙ্গে জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম নামের এক ব্যক্তির দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি এলাকায় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) একই উপজেলার পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাউসার উর জামান বাবলু নামের আরেক বিএনপি কর্মী গুলিতে নিহত হন। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে রাউজানে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতা বাড়ছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে এসব ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।








