তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র নৈতিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ নিজের মিডিয়া ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে চায়।
তিনি আরও জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যম এখন একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে। তথ্যের দ্রুত বিস্তারের কারণে অপতথ্য ছড়িয়ে পড়ছে সহজেই। তাই নীতিগত সহায়তা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে গণমাধ্যম, প্রযুক্তি ও নীতিনির্ধারণী সহায়তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই যৌথ উদ্যোগে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
মন্ত্রী বলেন, পলিসি সাপোর্ট থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত সহায়তা—সব ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস একসঙ্গে কাজ করবে।








