শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক—মুজিবসড়ক, চিত্রামোড়, গাড়িখানা, দড়াটানা ও গরিবশাহ সড়কসহ অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। শহরের প্রবেশপথগুলো দিয়ে দলে দলে মানুষ মিছিল নিয়ে ঢুকে জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন।
বাঘারপাড়া থেকে আসা বিএনপি কর্মী নুরুজ্জামান বলেন, তিনি আগে কখনও তারেক রহমানকে সরাসরি দেখেননি। তাই কৃষিকাজ ফেলে শুধুমাত্র তার ভাষণ শুনতে জনসভায় এসেছেন। একইভাবে ফতেপুর এলাকার নুরনবি বলেন, যশোরের উন্নয়নে বিএনপির অবদান রয়েছে এবং আজকের জনসভা থেকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার প্রত্যাশা করছেন তারা।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, এই জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শুধু যশোর নয়, খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকেও নেতাকর্মীরা এতে অংশ নিচ্ছেন। একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে যশোর বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং বিকাল ৪টায় জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।








