এর আগে গত ২২ এপ্রিল জেবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তিনি দ্বৈত নাগরিকত্বধারী, নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা রয়েছে।
অভিযোগকারীদের মধ্যে ছিলেন ঢাকার বনানীর বাসিন্দা নাদিম মাহমুদ ও মাসুদ মৃধা। মাসুদ মৃধার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হোসনে আরা নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জেবা আমিনা খান বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, যা সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা তৈরি করতে পারে। এছাড়া তার হলফনামায় স্থাবর সম্পদের পূর্ণ বিবরণ না দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, রাজধানীর গুলশান এলাকায় তার নামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটির হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে বাইগ্যামি, জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ, সন্তানের অভিভাবকত্ব এবং সশস্ত্র হামলার অভিযোগসহ একাধিক মামলার কথাও উল্লেখ করা হয়। তবে এসব মামলার চূড়ান্ত রায় বা নিষ্পত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন শুনানি শেষে আপিল খারিজ করে দেয় এবং জেবা আমিনা খানের মনোনয়ন বৈধ রাখার সিদ্ধান্ত দেয়।
উল্লেখ্য, জেবা আমিনা খান এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।








