শনিবার (২৫ এপ্রিল, ২০২৬) দিল্লিতে একটি বিশেষ আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস খের। একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি। কিন্তু আলোচনার মাঝপথেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে দু-এক লাইন গান গাওয়ার অনুরোধ করেন। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ‘তেরি দিওয়ানি’ খ্যাত এই গায়ক।
কৈলাস খের সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন:
“যেকোনো মঞ্চে উঠলেই শিল্পীদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়। আমার মনে হয় এবার এটা বন্ধ করা দরকার। আপনারা কি শচীন টেন্ডুলকারকে কখনো বলবেন যে, এখানে একটা ছক্কা মেরে দেখান? নিশ্চয়ই বলবেন না। তবে শুধু শিল্পীদের সঙ্গেই কেন এমন করা হয়? শিল্পীদের জোকার হিসেবে দেখা বন্ধ হোক।”
জিঙ্গেল রেকর্ডিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা কৈলাস খের গত দুই দশকে ভারতীয় সংগীতে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন:
২০০৩ সালে ‘আল্লাহ কে বান্দে’ গানের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন। ২০০৪ সালে গঠন করেন ব্যান্ড ‘কৈলাসা’।‘তেরি দিওয়ানি’, ‘ইয়া রাব্বা’, ‘বাহুবলী’ সিনেমার ‘কৌন হ্যায় ভোহ’ এবং ‘জয় জয়কারা’-সহ আরও অনেক হিট গান তাঁর ঝুলিতে রয়েছে।
কৈলাস খেরের এমন কড়া মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক:
একদল নেটিজেন বলছেন, শিল্পীদেরও ব্যক্তিগত ও পেশাগত গাম্ভীর্য বজায় রাখার অধিকার আছে। সব জায়গায় তাঁদের পারফর্মার হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
অন্যদলের মতে, ভক্তদের অনুরোধে দু-এক লাইন গান গাওয়ায় দোষের কিছু নেই। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি অনুরোধ করলে কি তিনি একইভাবে প্রতিবাদ করতেন?







