U.S. Southern Command (সাউদার্ন কমান্ড) জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে নৌযানটি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের পরিচিত মাদক পাচারের রুটে চলাচল করছিল এবং মাদক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত ছিল। অভিযানে মার্কিন বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হয়নি বলেও জানানো হয়।
তবে নিহতদের পরিচয় বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করায় প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের সংখ্যা বাড়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগও বাড়ছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব হামলাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে। Human Rights Watch ও Amnesty International বলছে, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মানদণ্ড লঙ্ঘন করে এ ধরনের প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, Donald Trump প্রশাসন যেসব নৌযানকে মাদক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে এ ধরনের হামলায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মাদক দমনের নামে সামরিক শক্তি ব্যবহারের এই কৌশল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তার স্বার্থে কঠোর অবস্থান বজায় রাখছে, অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে অভিযান চালানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।








