তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত অনুযায়ী, কিয়ানি ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন সময়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং বিক্ষোভ চলাকালীন সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, তার কার্যকলাপ দেশটির নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ইরানের সুপ্রিম কোর্ট তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভোরে দণ্ড কার্যকর করা হয়।
ইরান এর আগেও একই ধরনের অভিযোগে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।








