শসার প্রায় ৯৫-৯৬ শতাংশই পানি। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং পানিশূন্যতা দূর করে। এক কাপ কুচানো শসায় মাত্র ১৬ ক্যালোরি থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।এতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
কেবল পেট ঠান্ডা রাখাই নয়, নিয়মিত শসা খাওয়ার আরও অনেক বৈজ্ঞানিক সুবিধা রয়েছে:
শসায় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ফ্ল্যাভনয়েড হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যা কমায়।শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে থাকে। এই ভিটামিন শরীরকে ক্যালশিয়াম শোষণে সাহায্য করে, যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি কমাতে অপরিহার্য।
শসার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। তাই এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ বিকেলের নাস্তা।
শসায় থাকে বিটা-ক্যারোটিন ও পলিফেনল, যা শরীরের যেকোনো অভ্যন্তরীণ প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
বাইরের রোদ ও ধুলোবালি থেকে ত্বক সতেজ রাখতে বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন এই পানীয়:
-
একটি শসা ও কিছু ধনেপাতা কুচি করে নিন।
-
সামান্য পানিসহ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।
-
গ্লাসে নিয়ে অল্প বিট লবণ মিশিয়ে পান করুন। এটি নিয়মিত পানে শরীরের টক্সিন দূর হয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।






