এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা আরও ছয় সেনার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা ঘটনাটি প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছেন কিংবা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাসময়ে অবহিত করেননি।
ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংঘাতের মধ্যে লেবাননে বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযান চালাচ্ছে ইসরাইল। এরই মধ্যে দক্ষিণ লেবাননে যিশু খ্রিস্টের মূর্তি ভাঙার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
সমালোচনার মুখে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এটি তাকে ‘স্তম্ভিত ও ব্যথিত’ করেছে। তিনি স্বীকার করেন, এই ঘটনায় লেবাননসহ বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে আইডিএফ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবিটির সত্যতা নিশ্চিত করে এবং জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পরে মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সেনাদের আচরণ সংস্থার নীতিমালা ও মূল্যবোধের পরিপন্থী ছিল এবং এজন্য তারা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে।
একই সঙ্গে জানানো হয়, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তিটি ইতোমধ্যে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।







