আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ওয়াসিমকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
তাঁর মেয়াদে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি ব্যবস্থাপনা এবং টি-টোয়েন্টি লিগের ভিড়ে দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। বিশেষ করে ২০২৩-২৭ ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামে (FTP) আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো এবং প্রথমবারের মতো নারীদের জন্য আলাদা এফটিপি নির্ধারণে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
প্রশাসনিক ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার আগে ওয়াসিম খান ছিলেন একজন পেশাদার ক্রিকেটার।
তিনি ছিলেন প্রথম ব্রিটিশ মুসলিম ক্রিকেটার, যিনি কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নেন। ১৯৯০-এর দশকে ওয়ারউইকশায়ার, সাসেক্স ও ডার্বিশায়ারের হয়ে ৫৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৯৯৫ সালে ওয়ারউইকশায়ারের শিরোপা জয়ের মৌসুমে প্রায় ৫০ গড়ে রান করে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
আগামী জুন মাসে আইসিসি থেকে বিদায় নেবেন ওয়াসিম খান এবং জুলাই থেকে তিনি নতুন কোনো বড় ভূমিকায় যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। গত দুই বছরে আইসিসির বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন:
-
ক্রিস টেটলি: ইভেন্ট প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন (স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন গৌরব সাক্সেনা)।
-
অ্যালেক্স মার্শাল: দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছেন (স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এন্ড্রু এফগ্রেভ)।
-
জিওফ অ্যালারডাইস: আইসিসির প্রধান নির্বাহীর পদ থেকেও পরিবর্তনের গুঞ্জন রয়েছে।








