আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, প্রতি ওভার কম বোলিংয়ের জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ হারে জরিমানা করা হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সব খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচ রেফারির কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
ম্যাচ চলাকালীন মাঠের আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও গাজী সোহেল, তৃতীয় আম্পায়ার নিতিন মেনন এবং চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল ধীরগতির বোলিংয়ের অভিযোগ তোলেন। পরে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পে-ক্রাফট এই জরিমানা নিশ্চিত করেন।
স্লো-ওভার রেটের কারণে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের শেষ ৩ ওভারে বৃত্তের ভেতর অতিরিক্ত একজন ফিল্ডার রাখতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ। এতে বোলিংয়ের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হলেও কিউইদের ১৯৮ রানেই গুটিয়ে দেয় টাইগাররা।
জরিমানার খবরটি হতাশাজনক হলেও মাঠের পারফরম্যান্সে উজ্জীবিত বাংলাদেশ দল।
৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হয়েছেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। জয়ী দলই হাতে তুলবে সিরিজের শিরোপা।








