পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বছরটিতে কোম্পানিগুলো ১৩ হাজার ১৫৮ কোটি টাকার দাবি পেলেও পরিশোধ করেছে ৮ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। ফলে প্রায় ১১ লাখ ৮৫ হাজার গ্রাহক তাদের প্রাপ্য অর্থ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি বিমা খাতের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গ্রাহকদের আস্থা কমে যাওয়ায় নতুন প্রিমিয়াম সংগ্রহও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি বকেয়া রয়েছে কয়েকটি সমস্যাগ্রস্ত কোম্পানিতে। এককভাবে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে রয়েছে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি দাবি বকেয়া, যা মোট বকেয়ার বড় অংশ।
পদ্মা ইসলামী লাইফ, সানফ্লাওয়ার লাইফ, প্রোগ্রেসিভ লাইফসহ আরও কয়েকটি কোম্পানিতেও শত কোটি টাকার বকেয়া রয়েছে। এসব কোম্পানির কারণে পুরো খাতের ইমেজ সংকটে পড়েছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে কিছু কোম্পানি শতভাগ দাবি পরিশোধ করলেও সেগুলোর সংখ্যা সীমিত। ফলে সামগ্রিক চিত্রে নেতিবাচক প্রভাবই বেশি দেখা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট কাটাতে দুর্বল কোম্পানিগুলোকে একীভূত করা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন এবং কঠোর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। নইলে গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার করা কঠিন হবে।








