স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত ওই তালিকায় তার নাম উল্লেখ রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সুবর্ণা ঠাকুর দাবি করেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না এবং তার অনুমতি ছাড়াই কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ওই পদে থাকার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত সম্মতি ছিল না।
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও তথ্যের ভিত্তিতে দেখা গেছে, তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—যা তার বক্তব্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সুবর্ণা ঠাকুর দলের পদে ছিলেন এবং এখন তা অস্বীকার করা সঠিক নয়। তার মতে, নতুন রাজনৈতিক অবস্থান পাওয়ার জন্য তিনি পূর্বের পরিচয় অস্বীকার করছেন।
সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের সদস্য এবং ওড়াকান্দি হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত। পেশাগতভাবে তিনি একজন শিক্ষক।
ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে দলবদল, পরিচয় ও আদর্শের প্রশ্নকে নতুন করে সামনে এনেছে।








