শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং সেন্টারগুলো কোনো সরকারি নিবন্ধিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এগুলোকে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয় না। তাই এগুলো বন্ধ রাখার বিষয়টি আগের মতো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, কোচিং সেন্টারের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই এবং কোথায় কীভাবে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণও নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোচিং সেন্টারগুলো ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সিটি করপোরেশন থেকে অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষার পরিবেশ পরীক্ষাবান্ধব রাখতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এবছর প্রায় ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।








