প্রবাসীরা কেবল রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের চাকা সচল রাখছেন না, বরং তাঁরা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।
ইংল্যান্ডকে আধুনিক গণতন্ত্রের সূতিকাগার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা বিদেশের গণতান্ত্রিক চর্চার অভিজ্ঞতা দেশের অগ্রযাত্রায় ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে পারেন।
সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলর শিবলি আলম বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের অভূতপূর্ব সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। আলোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল:
সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে বাংলাদেশের নারীরা আগামীতে আরও নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করবেন বলে শিবলি আলম আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, আইনি এবং সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ এই কাউন্সিলর।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় এবং জোরদার করার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলর পারস্পরিক আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই সফর ও আলোচনা দুই দেশের সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।







