অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং জ্বালানি খাতে ব্যয়ের চাপের কারণে দেশের অর্থনীতি অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়েছে। শুধু জ্বালানি খাতেই অতিরিক্ত প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংককে সরকার জানিয়েছে যে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত দুই বছরের একটি অর্থনৈতিক “কুশন পিরিয়ড” প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকার একটি দুর্বল ব্যাংকিং খাত ও অস্থির শেয়ারবাজার উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। এসব কাঠামোগত সমস্যার সমাধান ছাড়া অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের পথে থাকা বাধা দূর করতে সরকার কাজ করছে। বিশেষ করে রপ্তানি খাতকে গতিশীল করতে গার্মেন্টসের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও বিশেষ সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ছাড়া কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই বড় বাজেটের মাধ্যমে অবকাঠামো ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় ব্যবসায়ী নেতারা বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর ওপর জোর দেন।








