রুমিন ফারহানা বলেন, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক, আমদানি-রপ্তানি ঘাটতি এবং নীতি সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আমদানি ও বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির মধ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে উভয় দেশের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে তিনি দাবি করেন, চুক্তিটি নির্বাচনের ঠিক আগে স্বাক্ষরিত হওয়ায় এর বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, “নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা নিয়ে দেশের সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, চুক্তির কিছু শর্ত বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই এটি জনগণের সামনে, বিশেষ করে সংসদে উপস্থাপন করা জরুরি।
রুমিন ফারহানা দাবি করেন, সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তিটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনা করতে পারে। তাই সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা উচিত।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে স্মরণ করিয়ে দেন, সংসদের নিয়ম অনুযায়ী ৩০১ বিধি অনুসারে পয়েন্ট অব অর্ডারে নতুন বিষয় তোলা যায় না। এ ধরনের বিষয় আলাদা নোটিশের মাধ্যমে উত্থাপনের পরামর্শ দেন তিনি।








