স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বিএনপির শহিদুল গ্রুপ ও সাইফুল গ্রুপের মধ্যে বিরোধের একপর্যায়ে তা সহিংস রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে, এতে একাধিক ব্যক্তি আহত হন।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের সময় প্রথমে সাইফুল গ্রুপের নুর আলম নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হিজমুল্লাহ সোহেল রানার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কাজ করছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। স্থানীয়ভাবে যেন নতুন করে কোনো সহিংসতা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।








