প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কনটেইনার জাহাজে রকেটচালিত গ্রেনেড ও গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে জাহাজটির ব্রিজ বা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জাহাজটির ক্যাপ্টেন জানান, কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা বা রেডিও যোগাযোগ ছাড়াই হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, একটি গানবোট খুব কাছ থেকে এসে গুলি চালায়, যেখানে তিনজন আরোহী ছিলেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, একই এলাকায় পানামার পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজেও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। তবে ওই জাহাজে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন বলে জানায় ইউকেএমটিও।
তৃতীয় একটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজও হামলার শিকার হয় বলে জানানো হয়েছে। সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও মাঝসমুদ্রে থেমে যায় এবং নাবিকরা নিরাপদ রয়েছেন।
ইউকেএমটিও বলছে, তিনটি জাহাজের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় ধরনের প্রাণহানি হয়নি। তবে হামলার কারণে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ। এখান দিয়ে বৈশ্বিক তেল ও এলএনজির বড় অংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব পড়ে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে এই জলপথে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







